নৈসর্গিক মনপুরা দ্বীপ

নৈসর্গিক মনপুরা দ্বীপ

আপনি ভ্রমণপিয়াসী আর দেশবিদেশের নানান দর্শনীয় স্থান নিয়ে আপনার আগ্রহের কমতি নেই তাহলে চোখ রাখুন পত্রলিপির দৃষ্টিনন্দন স্থান সমুহের নিয়ে আজকের আলোচনায়। আমাদের আজকের আয়োজনে থাকছে মনপুরা দ্বীপ সম্পর্কে কিছু তথ্য যা আপনাদেরকে দ্বীপটি নিয়ে আরো আগ্রহী করে তুলবে।

বলুনতো মনপুরা দ্বীপ নিয়ে প্রথম কোথায় শুনেছেন? হ্যা ঠিকই ভাবছেন একটি ছবি নির্মিত হয়েছিলো এই নাম নিয়ে। আধুনিকতার সময়ে আমাদের ব্যাস্ততার ফাঁকে আমরা প্রায়ই ছুটে চলি এক অজান্তে গন্তব্যে। মনপুরা দ্বীপ ঠিক তেমনি একটি স্থান। আপনি চাইলে কিছু সময় একান্তে কাটাতে পারবেন নিঃসন্দেহে। সবচেয়ে নজরকাড়ে মনপুরার আশেপাশের সৌন্দর্য, আর মেঘনার পাড়ে বসবাস করা মানুষের জীবনযাপন। তাই চলুন জেনে নেই দ্বিপটি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় সব তথ্যগুলো।

মনপুরা দ্বীপ মেঘনা নদীর মুখে বাংলাদেশের উত্তর বঙ্গোপসাগরের একটি দ্বীপ। এটি মনপুরা উপজেলা, ভোলা জেলা নিয়ে গঠিত। দ্বীপের আয়তন ৩৭৩ বর্গকিলোমিটার। এই অঞ্চলের অন্যান্য বড় অফশোর দ্বীপগুলি হচ্ছে ভোলা দ্বীপ (যা বৃহত্তম) এবং হাতিয়া দ্বীপ। এই সমস্ত দ্বীপগুলি ঘনবসতিপূর্ণ।

মনপুরা জীববৈচিত্র ভরপুর ও সমৃদ্ধ বনায়ন লক্ষণীয়। যেখানে সরীসৃপের, বানর, পাখি ও হরিণের বিচরণ লক্ষণীয়। শীতের সময়ে অতিথি পাখির আশ্রয়স্থল হয়ে ওঠে মনপুরা। তখন মনপুরার প্রাকৃতিক চিত্র আরো দৃষ্টিনন্দন হয়ে ওঠে।

আকর্ষনীয় বিষয় সমুহের মধ্যে – আপনি সূর্যোদয়, সূর্যাস্ত দুটোই উপভোগ করতে পারবেন। এখানের লবণাক্ত পানিতে মাছ উৎপাদন ও সকলের আগ্রহের একটি বিষয়। সমৃদ্ধ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্যে রাখছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, যা কিনা আপনাকেও চমকে দিতে বাধ্য।

মনপুরা দ্বীপটিতে পৌছাতে হলে বাসযোগে আপনাকে ঢাকা থেকে ৩২৫ মাইল আসতে হবে। কিন্তু পানিমাধ্যম বেছে নিলে দূরত্ব অনেকাংশেই কমে আসবে সেক্ষেত্রে মাত্র ১৯৩ মাইল। এক্ষেত্রে আপনি লঞ্চ কিনবা স্টীমারের সেবা বেছে নিতে পারেন।

সময় বিবেচনায় সেরা সময় নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত ধরা হয়।

কিছু সীমাবদ্ধতার কথা যেমন যোগাযোগ, খাবার এবং থাকার জায়গা ইত্যাদি বিষয় আপনাদেরকে অবশ্যই মাথায় রেখে  যেতে হবে।

অনুপ্রানিত – 

    • বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন
    • Google

 ছবিসূত্র – Google

Meet The Amazing Writer

Nurul Momen Chowdhury

About Writer: As the world is getting developed day by day, technology & the ways of learning are also changing. Keeping that in mind, Nurul Momen Chowdhury would like to contribute to the society by developing a better platform that will help the creative minds & scholar people.

Follow the Amazing Writer

Leave a Reply